নেতা মন্ত্রীরা কি বাজার থেকে পেঁয়াজ ও পোস্ত কিনে খান না?

0
38
আামাদের দেশের নেতা মন্ত্রীরা থলি হাতে বাজারে য়ান না। তাই  প্রতি কেজি পেঁয়াজের দাম যে ৭০ -৮০ টাকা হয়েছে বা ১০০ গ্রাম পোস্ত কিনতে ১৫০ টাকা গুনতে হচ্ছে খবর তারা জানেন না, রাখেনও না।  পেঁয়াজের অস্বাভাবিক দাম কয়েক মাস চলার পর মঙ্গলবার কেন্দ্র সরকার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ইরান ও অন্যান্য কয়েকটি দেশ থেকে পেঁয়াজ অামদানির ক্ষেত্রে সরকার সহয়তা করবে । কিছুদিন অাগে কেন্দ্রীয়মন্ত্রী রামবিলাস পাসওয়ান মিডিয়াকে জানিয়েছিলেন রাজ্য সরকার চাইলেই তারা সস্তায় পেঁয়াজ দিতে পারেন। সরকারের গুদামে যথেষ্ট পেঁয়াজ রয়েছে। তাহলে মাস খানের পর হঠাত্ অামদানি কেন?
  সূত্রের খবর গত বছরের  পেঁয়াজ যে পরিমাণে মজুত রয়েছে তাতে এই সময় ঘাটতি হওয়ার কথা ছিল না। তবে অত্যাধিক বৃষ্টির জন্য পরিবহণে বেশ কিছু পেঁয়াজ নষ্ট হয়েছে ঠিকই। কিন্তু তাই বলে এতটা দাম বৃদ্ধি! চিন ও তুর্কি থেকে পোস্ত অামদানি বন্ধ হওয়ায়ও পোস্তর দামি নাকি অস্বাভাবিকভাবে বেড়েছে। পোস্ততেও চিনের দখল!
 মুখ্যমন্ত্রী প্রায় সব বিষয় দ্রুত তার মতামতা সবাইকে জানিয়ে দেন। অথচ তিনি বিষয়টি নিয়ে কোন মন্তব্য করেননি এখনও। প্রায় মাস খানেক ধরে অন্যান্য পণ্যের তুলনায় এই দুটি জিনিসের দাম অস্বাভাবিক বাড়লেও না রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী না বিরোধী দলের তরফে কোন প্রতিক্রিয়া লক্ষ্য করা যাচ্ছে । যে বামপন্থীরা অতীতে খাদ্য অান্দোলনে সামিল হয়েছিলেন তাদেরকেও এই বিষয় পথে নামতে দেখা যাচ্ছে না। রাজ্যের বামফ্রন্টের এক প্রাক্তনমন্ত্রীকে ৩হাজার টাকা দরে ইলিশ কিনতে দেখার পর সেই অাশাও বড় কম। এক সময় এই পেঁয়াজের দাম বাড়ার জন্য কেন্দ্র সরকারকে কাঁদতে হয়েছিল। এখন অবশ্য তার অবকাশ কম। কারণ ৩৭০ ধারা বাতিল, পাকিস্তান , গরু নানা ইস্যুতে ভালই ভোট অাসছে।অন্যদিকে ব্যাকফুটে থাকা বিরোধীদলগুলিওও বুঝে উঠতে পারছে না কোন ইস্যুতে কাকে টার্গেট করবে। কারণ এখন নাকি সব মান্যেজের খেলা চলছে। শুধু দামটা যদি একটু ম্যানেজ করা যেতে তাহলে বোধ হয় সাধারণ ক্রেতার একটু লাভ হত।