লোকসভা ভোটের অাগে হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে মানবাধিকার কর্মীদের উপর ইজরায়েলি সংস্থা নজরদারি কার নির্দেশে?

0
29

 গত লোকসভা  নির্বাচনের সময় দেশের সাংবাদিক ও মানবাধিকার কর্মীদের  ফোনে বিদেশি সংস্থার নজরদারির চাঞ্চল্য ঘটনা সামনে এলো। হোয়াটসঅাপের সার্ভার ব্যবহার  করে ইজরাইয়লের এনএসও নামের একটি সংস্থা ম্যালওয়ার পাঠিয়ে নজরদারি চালানোর ঘটনায় সামনে এসেছে। এই খবর জানানজানি হতেই হোয়াটসঅ্যাপের মূল সংস্থা ফেসবুক ইজরায়েলি কোম্পানি এনএসওর বিরুদ্ধে মাত্র ৭৫ হাজার ডলার ক্ষতিপূরণের  মামলাও দায়ের করেছে। NSOঅবশ্য দাবি করেছে তারা সরকার বা স্বীকৃত সংস্থা ছাড়া কোন সংস্থাকে তাদের তৈরি সফটওয়ার ব্যবহারের অনুমতি দেয়না।

এদিকে দেশে এই নিয়ে হোয়াটস্অ্যাপের কাছে জবাব তলব করেছ ভারত সরকার। মিডিয়া রিপোর্ট অনুযায়ী বিশ্বের ২০ দেশে ১৪০০ জনের ফোনে এই নজরদারি চালিয়েছিল ইজরায়েলের সাইবার নিরাপত্তা(!)   প্রদানকারী সংস্থাটি। ভারতের সাংবাদিক, মানবাধিকার কর্মী ও অামলাদের উপরও ঠিক লোকসভা ভোটের অাগে ২ সপ্তাহ ধরে নজরদারি চালিয়েছিল ওই সংস্থাটি। প্রশ্ন উঠছে ভারতের নির্বাচনের অাগে কার নির্দেশে ভারতের মানবাধিকার কর্মী ও সাংবাদিকদের উপর নজরদারি চালিয়েছিল ইজরায়েলের ওই সাইবার সংস্থাটি। ওই সংস্থাটি জানিয়েছে তাদের তৈরি সফটওয়ার শুধু মাত্র সরকার বা স্বীকৃত সংস্থাকে ব্যবহার করা অনুমিত দেওয়া হয়।  প্রশ্ন উঠছে তাহলে কি এদেশের সরকারই দেশের নাগরিকদের উপর নজরদারি চালিয়েছিল।
ছত্তিশগড়ে কর্মরত মানবাধিকার কর্মী বেলা ভাটিয়া এনডিটিভিকে কে জানিয়েছেন যিনি তাঁকে এই বিষয় সতর্ক করেছিলেন তিনি জানিয়েছেন এদেশের সরকারের নির্দেশেই চলেছে এই নজরদারি। ভিমা কোরেগাঁও মামলার সঙ্গে যুক্ত এক অাইনজীবী দাবি করেছেন যে সব মানবাধিকার কর্মীদের এই মামলায় গ্রেফতার করা হয়েছে তাদের  ইমেলে এইভাবেই জাল চিঠি মেল করে সাজিয়ে দেওয়া হয়েছে।সব মিলিয়ে হোয়াটসঅ্যাপের সার্ভার ব্যবহার করে ইজরায়েলি সফটওয়ারের  মাধ্যমে  নজরদারিতে দেশের সরকারের নাম জড়িয়ে পড়ছে। তাদের দায় অাছে জবাব দেওয়ার। শুধু জবাব তলব করেই দায় এড়াতে পারে না সরকার।