দুর্নীতিগ্রস্ত সমাজে বিপর্যয়টাই স্বাভাবিক

0
6

উড়ালপুল ভেঙে বহু মানুষের মৃত্যু হওয়ায় বিষয়টি নিয়ে আপাতত হৈচৈ হচ্ছে। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে তা ধামাচাপা পড়ে যাবে বা দিয়ে দেওয়া হবে। আমরা অপেক্ষা করবো আরেকটি বিপর্যয়ের জন্য। কারণ আমরি বা স্টিফেন কোর্টের ঘটনার পরও সরকারের টনক নড়েনি। বহুতল বা বাণিজ্যিক স্থানের অগ্নিনির্বাপন (অ)ব্যবস্থা নিয়ে সরকার বা দমকলকে পদক্ষেপ নিতে আমরা দেখিনি? বড়বাজার বা ক্যানিং স্ট্রিটে আগুন লাগলে কী হতে পারে ভাবলেই শিউরে উঠতে হয়। অন্যদিকে শহর ও শহরতলীর আবাসিক এলাকায় বা বাড়িতে বেআইনিভাবে গুদাম তৈরি হচ্ছে প্রতিদিন। মাঝে মধ্যে আগুনও লাগছে। মানুষ মারা যাচ্ছেন না বলে আমাদের হেলদোল নেই। শহরতলীর বিভিন্ন এলাকায় গলিতে নিয়মকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে উঠছে বহুতল। ওই সব এলাকায় আগুন লাগলে দমকল পৌঁছাতে বেগ পেতে হবে। জলাবুজিয়ে ফেলার জন্য পাওয়া যাবে না প্রয়োজনীয় জল। তাতে কি পার্টি, এলাকার কাউন্সিলরদের পকেট তো ভরছে। আসলে দুর্নীতি যে সমাজকে আষ্টেপিষ্টে গ্রাস করেছে সেখানে আমাদের বেঁচে থাকাটাই এখন চ্যান্স হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাই ট্রেনে উঠতে হয় দুর্ঘটনাকে ফ্রি নিয়ে। পথে বেরোতে হয় ট্রাফিক পুলিসকে বাদ দিয়েই। কারণ ওনারা ব্যস্ত থাকেন হয় চালান কাটাতে না হয় করতে। তাই অটোর দৌরাত্ম্য বা বাসের রেষারেষি শুধুমাত্র খবর হয়। দিন বদলা না এতটুকু। তবু পরিবর্তনের আশায় আমরা অনেকে ভোট দিতে যাই। আবারও হয়তো দেব। কিন্তু দিন কি বদলাবে?